সর্দি, অ্যালার্জি কিংবা শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে হওয়া কাশি অনেক সময় দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে। বিশেষ করে রাতে কাশির কারণে ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে লবঙ্গ কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বলে মনে করা হয়।
লবঙ্গে থাকা প্রদাহরোধী, জীবাণুনাশক ও প্রশান্তিদায়ক উপাদান গলার অস্বস্তি এবং কাশির উপসর্গ কমাতে সহায়ক হতে পারে।
লবঙ্গ ব্যবহারের কয়েকটি উপায়:
লবঙ্গ চা:
এক কাপ ফুটন্ত পানিতে ১ থেকে ২টি লবঙ্গ দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর ছেঁকে গরম অবস্থায় পান করা যেতে পারে। স্বাদ বাড়াতে এতে মধু বা লেবুর রস যোগ করা যায়।
লবঙ্গ তেলের বাষ্প:
নাক বন্ধ থাকা বা কাশির অস্বস্তি কমাতে লবঙ্গ তেলের বাষ্প গ্রহণ করা হয়। কিছু গবেষণায় লবঙ্গ তেলের উপাদান শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় কফ নির্গমনে সহায়ক হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
লবঙ্গ-মধুর মিশ্রণ:
দুই-একটি লবঙ্গ গুঁড়া বা থেঁতো করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করা যেতে পারে।
আদা-লবঙ্গের মিশ্রণ:
আদা ও লবঙ্গ একসঙ্গে বেটে অল্প পরিমাণে খাওয়া হয়। এটি গলার জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
তবে কাশি দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে, শ্বাসকষ্ট, জ্বর, বুকে ব্যথা বা রক্তসহ কাশি হলে শুধু ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সান নিউজ/ জামান
