সোমবার (২৯ জুন) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহেসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন। এর আগে ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ টিপু সুলতান তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
এদিন শুনানির সময় তাকে আদালতে তোলা হয়। শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী সামসুর রহমান বাদল বলেন, সাবেক এই এমপিকে হাইকোর্ট ডিভিশন থেকে এরইমধ্যে রামনা থানার মামলা থেকে জামিন দেওয়া হয়েছে। যখন তিনি মুক্তি পাবেন তখনই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে। এই মামলায় এজাহার নামীয় আসামি নয়, তাকে রাজনৈতিক হয়রানি করতে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। এই আসামি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও বয়স বিবেচনায় গ্রেপ্তার না দেখানোর প্রার্থনা করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা বেলা ১১টার দিকে আদাবরের রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ, মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়। নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গত বছরের ২২ আগস্ট রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম আদাবর থানায় মামলা দায়ের করেন।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
