বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে দলের প্যাডে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গ্রুপে দেন হাসান আল মামুন। সেখানে লেখা হয়, গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি ব্যতীত দলীয় সিদ্ধান্তের নামে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোসহ সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গণ অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামানকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হলো। একই সঙ্গে কেন শাকিল উজ্জামানকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, আগামী ৫ দিনের মধ্যে তার লিখিত জবাব চাওয়া হলো।
জানতে চাইলে শাকিল উজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত না নিয়ে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এমনটি করার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসান আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, দলের সভাপতি নুরুল হকের সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা হয়েছে। এখন সেই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক করার সুযোগ নেই। শাকিল উজ্জামান এখতিয়ারবহির্ভূত কাজ করেছেন।
এদিকে এই ঘটনার মধ্যেই নতুন বিতর্কের জন্ম দেয় আরেকটি ঘটনা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পর গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন শাকিল উজ্জামানকে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে সরিয়ে দেন। দলটির উচ্চতর পরিষদের একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, যিনি দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন, তিনি কীভাবে দলের দপ্তর সম্পাদককে দলীয় গ্রুপ থেকে বের করেন, সে প্রশ্ন উঠেছে।
