অবশেষে ফিফার সব নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। বিদেশি কোচ ও খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত দাবির কারণে আরোপিত ১৪টি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে শেষ চারটিও তুলে নিয়েছে ফিফা। ফলে ক্লাব লাইসেন্সিং এবং আসন্ন ঘরোয়া মৌসুমে অংশগ্রহণের পথে আর কোনো বাধা রইল না ছয়বারের চ্যাম্পিয়নদের।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত বসুন্ধরা কিংসের ওপর চারটি নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল। এ কারণে ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের সময়সীমা আরও চার দিন বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
তবে শুক্রবার রাতেই ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আর নেই বসুন্ধরা কিংসের নাম। এর মধ্য দিয়ে খেলোয়াড় নিবন্ধনের ওপর থাকা সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে ক্লাবটির।
বিদেশি কোচ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরই নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করে ফিফা। এতে স্বস্তি ফিরেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে।
দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় থাকা স্থানীয় ফুটবলাররাও এখন নতুন মৌসুমের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিতে পারবেন। ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে লিগে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করবে বসুন্ধরা কিংস।
গত কয়েক মৌসুম ধরে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে আধিপত্য ধরে রেখেছে ক্লাবটি। তবে আর্থিক দায় ও বিদেশি কোচ-খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিয়ে একাধিকবার ফিফার নিষেধাজ্ঞায় পড়ায় ক্লাবটির ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়াকে তাই শুধু বসুন্ধরা কিংসের জন্য নয়, দেশের ঘরোয়া ফুটবলের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাফুফের সময় বাড়ানো এবং ফিফার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে নতুন মৌসুম নিয়ে অনিশ্চয়তাও অনেকটা কেটে গেছে।
নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হওয়ার পরপরই দল গোছানোর কাজে নেমে পড়েছে বসুন্ধরা কিংস। সাফ কোটায় ইতোমধ্যে দুই নেপালি ফুটবলারকে দলে নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে ক্লাবটি।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
