দীর্ঘদিনের অসুস্থতা ও বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন হওয়ায় গত ১২ আগস্ট খুলনা থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় কুমিরটিকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে এনে নতুন আবাসে রাখা হয়।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রবীণ এই কুমিরটির চোখ ও চামড়ায় বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ কারণে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করতেই বন বিভাগের উদ্যোগে তাকে এখানে আনা হয়েছে।
হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী খাঞ্জেলী দীঘি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মিষ্টি পানির কুমিরের জন্য পরিচিত। স্থানীয় লোককথা ও ঐতিহ্য অনুযায়ী, ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’ নামের দুটি কুমিরকে ঘিরেই এই দীঘিতে কুমিরের বংশধারা শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সেই বংশের শেষ বয়োবৃদ্ধ প্রতিনিধি হয়ে ওঠে ‘ধলাপাহাড়’।
বর্তমানে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ধলাপাহাড়ের শারীরিক পরিচর্যা ও নিয়মিত খাবার নিশ্চিত করা হচ্ছে। পার্কের উপযোগী প্রাকৃতিক জলাধার ও পরিবেশ কুমিরটির দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠায় সহায়ক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
