দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা বলেছেন, শুধু দুদকের একার পক্ষে দেশে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এ জন্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের, বিশেষ করে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
সোমবার (৬ জুলাই) দুদকের তদন্ত-২ বিভাগের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেনের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এ মন্তব্য করেন।
দুদকের মানিলন্ডারিং বিভাগের মহাপরিচালক মো. মোকাম্মেল হক বলেন, দেশের সাড়ে তিন কোটি যুবক যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হন, তাহলে অন্তত ৫০ শতাংশ দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী জনসচেতনতা গড়ে তুলতে তরুণদের সম্পৃক্ততা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
বিদায়ী বক্তব্যে তদন্ত-২ বিভাগের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন বলেন, দেশের স্বার্থে দুদককে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি জানান, অতীতে দায়িত্ব পালনকালে নানা মানসিক চাপ থাকলেও বর্তমানে কাজের পরিবেশ তুলনামূলক ইতিবাচক হয়েছে।
সম্প্রতি সরকার মোতাহার হোসেনকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তার বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুদকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান ও কমিশনার না থাকায় দুদকের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। প্রায় চার মাস নেতৃত্বশূন্য থাকার পর সরকার নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সান নিউজ/ জামান
