যুক্তরাষ্ট্রের লাল কার্ড-জনিত নিষেধাজ্ঞায় থাকা ফুটবলারকে ফেরাতে সরাসরি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে। সেই ফোলারিন বালোগানকে নিয়েই মার্কিনিরা আজ (মঙ্গলবার) বেলজিয়ামের মুখোমুখি হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। তাদের ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লুকাকু-ডি ব্রুইনার বেলজিয়াম।
সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে নামার আগে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে নজর ছিল পুরো বিশ্বের। আসরজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবলে আকর্ষণ জাগানো দলটি অবশ্য আসরে নিজেদের সবচেয়ে বড় ম্যাচে ছন্দে ছিল না। উল্টো বেলজিয়ামের উন্নত ফুটবলের সামনে ছিল অসহায়, মার্কিনিদের একের পর এক ভুলও তারা ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে। ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষকের ভুলেই হয়েছে দুটি গোল, এর মধ্য দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলো স্পেন।
ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে স্পেন ও পর্তুগাল ফুটবল দল। ম্যাচের ১২ মিনিটেই দুদল অন ও অফ টার্গেটে শট নিয়েছে মোট সাতটি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটে তো লিড পেয়েই যেত স্পেন। বল নিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ওইয়ারজাবাল। তার সামনে ছিল কেবল পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। কিন্তু ওইয়ারজাবালের নেওয়া শটটি লক্ষ্যে ছিল না। সাইডবারের পাশ দিয়ে চলে যায় বলটি। সে যাত্রায় বেঁচে যায় পর্তুগাল।
যুক্তরাষ্ট্রের বিদায় নিশ্চিতের পথে বেলজিয়ামের হয়ে চার্লস ডি কেটেলার জোড়া গোল এবং হান্স ভেনাকেন ও রোমেলু লুকাকু একটি করে গোল করেন। এর আগে মালিক টিলম্যান এক গোল করে সমতায় ফিরিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রকে। প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে আসা বেলজিয়াম গত ১২ বছরে দ্বিতীয়বারের মতো শেষ ষোলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করল। একইসঙ্গে টানা ১৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার ধারাও বজায় রাখল তারা।
সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়ার ইংগলউডে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হবে বেলজিয়াম। সেই ম্যাচের বিজয়ীরা সেমিফাইনালে খেলবে ফ্রান্স অথবা মরক্কোর বিপক্ষে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
