জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, এ সময় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোতে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ২৪ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের পর বক্তব্য দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ ছাড়া সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমের স্টেনারগার্ডের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) আয়োজনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের একটি অনুষ্ঠানেও দুই দেশের পক্ষ থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারির ভূমিকা জোরদার এবং মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সহযোগিতার বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর এসব দ্বিপক্ষীয় ও সাইডলাইন বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠক বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করছে।
