আন্তর্জাতিক ফুটবলে খেলোয়াড়দের শাস্তি দিতে লাল ও হলুদ কার্ড দেখান রেফারিরা। তবে ক্যারিয়ারের বিদায়ী ম্যাচে লিওনেল মেসির হাতে উঠল সেই কার্ডই—তবে শাস্তি হিসেবে নয়, বিশেষ এক সম্মাননা হিসেবে।
বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটি শেষ হওয়ার পর পুরো মাঠের আলো তখন আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসিকে ঘিরে। শেষ বাঁশি বাজিয়ে তার দিকে এগিয়ে আসেন ম্যাচের রেফারি ফার্নান্দো ভেখার।
রেফারির হাতে ছিল বিশেষ এক উপহার। ম্যাচে খেলোয়াড়দের সতর্ক বা বহিষ্কার করতে ব্যবহৃত লাল ও হলুদ কার্ডের একটি সেট মেসির হাতে তুলে দেন ভেখার।
অবশ্য এই কার্ডগুলোর সঙ্গে কোনো শাস্তির সম্পর্ক নেই। মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে সম্মানসূচক উপহার হিসেবেই কার্ড দুটি তুলে দেন রেফারি। বিদায়ী ম্যাচের স্মৃতি হিসেবে সেগুলো নিজের কাছে রেখে দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
শুধু উপহারেই নয়, মাঠের পারফরম্যান্সেও বিদায়ী ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রেখেছেন মেসি। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানো ম্যাচে আর্জেন্টিনার তিন গোলেই ছিল তার সরাসরি অবদান। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজকে দিয়ে দুটি গোল করানোর পর ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেও গোল করেন তিনি।
ফলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে মেসির নামের পাশে যোগ হলো ১ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০৮তম ম্যাচে মাঠে নেমে নিজের শেষ আন্তর্জাতিক গোলটিও করে ফেললেন এই কিংবদন্তি।
আলবিসেলেস্তেদের হয়ে মেসির ক্যারিয়ার শেষ হলো ১২৬ গোল ও ৭০ অ্যাসিস্ট নিয়ে। বিদায়ী ম্যাচের স্মৃতি আরও বিশেষ করে তুলতে শুধু লাল-হলুদ কার্ডই নয়, ম্যাচে ব্যবহৃত বলটিও তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি হয়ে থাকল আবেগ, সম্মাননা ও দারুণ এক পারফরম্যান্সে মোড়ানো স্মরণীয় এক অধ্যায়।
সান নিউজ/ রাব্বি
