জোয়ারের পানি ও টানা বৃষ্টিতে বদলে গেছে ঝালকাঠির জনপদের চিত্র। সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল, তলিয়ে যাচ্ছে কৃষিজমি। আমন ধানের বীজতলা নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দুশ্চিন্তায় কৃষকরা। অন্যদিকে বিষখালী নদীর তীরবর্তী এলাকায় নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে অসংখ্য পরিবারের।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল থেকেই ঝালকাঠির আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি এবং জোয়ারের প্রভাবে সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দেড় থেকে দুই ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বেড়িবাঁধের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে পানি। তলিয়ে গেছে নদীতীরবর্তী এলাকার সড়ক, ফসলি জমি ও আমন ধানের বীজতলা। এতে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের আশঙ্কা, পানি আরও বৃদ্ধি পেলে রোপণের জন্য প্রস্তুত করা বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
এদিকে বিষখালী নদীর তীরবর্তী চর ভাটারকান্দা এলাকায় নতুন করে নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু স্থানে ব্লক ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হলেও বেশ কয়েকটি এলাকায় এখনও নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টি ও নদীর পানি বাড়লেই তাদের আতঙ্ক বেড়ে যায়। কখন যে বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে, সেই শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের। দ্রুত কার্যকর নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সান নিউজ/ জামান
