এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় নারী শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম। তিনি সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন।
সম্মেলনের শুরুতে বিভিন্ন পেশার নারী শ্রমিকেরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পরে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন জাতীয় নারী শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য জাহানারা বেগম। তিনি বলেন, ২০১১ সালের ১ এপ্রিল তৃতীয় নারী শ্রমিক সম্মেলনের পর এ সময়ের মধ্যে বহু নারী শ্রমিক ও শ্রমিকনেতাকে হারাতে হয়েছে। তাঁদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সম্মেলন উপলক্ষে জাতীয় নারী শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। জীবন–জীবিকার প্রয়োজনে নারীরা কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হয়ে উৎপাদন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। রাষ্ট্র পরিচালনা, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব প্রমাণ করে, সক্ষমতার দিক থেকে তাঁরা কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই। তবে সংবিধান, প্রচলিত শ্রম আইন এবং আন্তর্জাতিক কনভেনশনে নারী–পুরুষের সম–অধিকার স্বীকৃত থাকলেও বাস্তবে নারী শ্রমিকেরা শোষণ, বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
