সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব, গুঞ্জন ও মিথ্যাচার রোধে কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
বর্তমান সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে রয়েছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, স্বাধীনতার কথা বললেও আমাদের মাথায় রাখতে হবে যেন আমরা স্বৈরাচারী হয়ে না উঠি। স্বাধীনতা মানে এই নয় যে, যা ইচ্ছে আপনি তা লিখবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কারো বিরুদ্ধে মনগড়া কিছু লেখার প্রবণতার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, কাউকে নিয়ে কিছু লেখার আগে অবশ্যই তার বক্তব্য নেওয়া উচিত। মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়া এই অপতথ্য রোধে সংবাদকর্মী, মোবাইল ও সিটিজেন জার্নালিস্টসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
গুজব ও মিথ্যাচার ঠেকাতে প্রতিটি সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত ‘ফ্যাক্ট চেক’ বা সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ কিংবা ১০-১৫ মিনিটের অনুষ্ঠান প্রচার করার জোরালো তাগিদ দেন ছালেহ শিবলী। তিনি বলেন, মানুষ যেন ঘুম থেকে জেগে সারা দিন যা দেখে বা শোনে, তা আদতে সত্য কি না—সেটি যাচাই করতে পারে।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিধি ও সীমানারেখা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব স্পষ্ট করে জানান, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সীমা সরকার, ব্যক্তি বা অন্য কেউ নির্ধারণ করবে না; এই সীমানারেখা নির্ধারণ করে দেবে আদালত।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমের অপব্যবহার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
আমার বাঙলা/রাজীব
