শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের হামিদ উল্যাহ পাটওয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ নজরুল ইসলাম রশিদপুর এলাকার মৃত খলিলুর রহমান পাটওয়ারীর ছেলে। অভিযুক্ত আশিক একই বাড়ির ইসমাইল হোসেন ফারুকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফারুক ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগমের সঙ্গে চাচা নজরুল ইসলামের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনায় শনিবার সকালে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে নজরুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের একপর্যায়ে আয়েশা বেগমের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এতে আয়েশা মোবাইলফোনে ঢাকায় থাকা ছেলে আশিককে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে আশিক সন্ধ্যায় এলাকায় আসেন।
এ সময় ঘটনাটি নিয়ে আশিক বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে নজরুল ইসলামকে গুলি করেন বলে অভিযোগ। এতে তার বাঁ হাতের কব্জির ওপরের অংশে গুলি লাগে। ঘটনার পর থেকে আশিক পলাতক রয়েছেন।
এ বিষয়ে ফারুক বলেন, আশিক আমার চাচাকে গুলি করেছে। এখন আমাকেও হুমকি দিচ্ছে। আমি এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
গুলিবিদ্ধ নজরুল ইসলাম বলেন, ফারুক আমাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। সালিশি বৈঠকে ফারুকের স্ত্রী আয়েশার সঙ্গে আমার বাগবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে আশিক এসে আমাকে গুলি করে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. শামিম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক বৃদ্ধকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। আমরা তাকে এক্স-রে করার পরামর্শ দিয়েছি। এক্স-রে করার পর শরীরের ভেতরে গুলি আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালীতে রেফার করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ঘটনার বিষয়ে জেনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
