বাগেরহাট সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রণজিৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মুসলিম হলেও দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টিতে কোনো ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক নেই। কর্মরত সব শিক্ষক সনাতন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্র ও স্থানীয় অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রণজিৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে এ বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক পদায়ন করা হয়নি। ফলে কোমলমতি মুসলিম শিক্ষার্থীরা নিজ ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
একজন ক্ষুব্ধ অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে গেলেও ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক না থাকায় তারা ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো ঠিকভাবে শিখতে পারছে না। দ্রুত একজন ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।”
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক পদায়ন অথবা বদলির মাধ্যমে পদটি পূরণের আশ্বাস দেন।
মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত একজন ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক পদায়নের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
