সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্ক্যালোনি বলেন, ‘আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমাদের দেশ, আমাদের মানুষের জন্য এটি অসাধারণ এক আনন্দের মুহূর্ত। আগেও বলেছিলাম, এই দল আমাকে প্রতিনিয়ত বিস্মিত করে।’
স্ক্যালোনির মতে, সেমিফাইনালে পিছিয়ে পড়েও যেভাবে আর্জেন্টিনা ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ জিতেছে, সেটিই দলের সবচেয়ে বড় সাফল্য। তিনি জয়ের পুরো কৃতিত্বই দিয়েছেন খেলোয়াড়দের।
আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, ‘খেলোয়াড়রা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস হারায়নি। তারা লড়ে গেছে, নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। এই জয় পুরো দলের কঠোর পরিশ্রম ও মানসিক দৃঢ়তার ফল।’
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের বিদায়ের পর দেশটির সাবেক ফুটবলারদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন কোচ টমাস টুখেল। তাদের দাবি, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক কৌশল, দেরিতে পরিবর্তন এবং আক্রমণাত্মক ছন্দ ধরে রাখতে না পারাই শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের পরাজয়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এবার সামনে বিশ্বকাপের ফাইনাল। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) রাতে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। স্ক্যালোনি জানিয়েছেন, লক্ষ্য একটাই—শিরোপা ধরে রাখা। তবে ফল যাই হোক, খেলোয়াড়দের আত্মনিবেদন ইতোমধ্যেই তাকে গর্বিত করেছে।
২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালের ফিনালিসিমা এবং কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর স্ক্যালোনির সামনে এখন আরও একটি ইতিহাস গড়ার সুযোগ। তার বিশ্বাস, দেশের জার্সি গায়ে খেলোয়াড়দের নিবেদনই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
