শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, একজন শিক্ষার্থী যে পরিমাণ পড়াশোনা করে, সে অনুযায়ী সঠিক উত্তর দিয়ে সেই পরিমাণ নম্বর পেলেই শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি সন্তুষ্ট হন। তবে কেউ পড়াশোনা না করলে তাকে বাড়তি নম্বর দিয়ে সন্তুষ্ট হন না তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যখন পরীক্ষা নকলমুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তখন শূন্য পাসের সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় তিন-চার গুণ বেশি ছিল। তবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে সেই সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, সেই শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বর্তমানের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি ছিল। সে সময় আমরা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়ে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি করেছিলাম। এবারও একটু অপেক্ষা করুন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের দায়িত্ব হলো, শিক্ষাব্যবস্থার যেখানে অবনতি হচ্ছে, সেখানেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তা উন্নত করা।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
