নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাইপাস এলাকায় বাস কাউন্টারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় একটি চায়ের দোকান ও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় বনপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন আলী ফকির (৫৭), পৌর কৃষক দলের সভাপতি মমতাজউদ্দিন শেখ (৫৫) এবং পৌর বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আকতার হোসেনকে (৫২) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া বিএনপি কর্মী আসলাম শেখ (৫০) বনপাড়া পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পৌর বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি রবিউল ইসলাম মৃধা (৫০), যুবদল কর্মী নাজমুল (৩৫) ও সোহেল (৪৮) প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিআরটিসি বাসে যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে হোসেন আলী ফকির ও তার অনুসারীদের সঙ্গে পৌর ছাত্রদলের সদস্য সুজন খান ও তার সহযোগীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
পরে দুপুর ১২টার দিকে বনপাড়া বাইপাসের পাবনা কাউন্টারের সামনে একটি চায়ের দোকানে হোসেন আলী ফকিরসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী অবস্থান করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের ৪০ থেকে ৪৫ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।
হামলার সময় একটি চায়ের দোকান ও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
আহত হোসেন আলী ফকির বনপাড়া পৌর বিএনপির আহ্বায়ক লুৎফর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। লুৎফর রহমান বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। পৌর ছাত্রদলের সদস্য সুজন খানের নেতৃত্বে হোসেন আলী ও তার লোকজনের ওপর হামলা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আহত কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।’
তবে সুজন খান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ওই হামলার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
