পৌর কৃর্তপক্ষের দাবি, উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগে পৌর কর্তৃপক্ষ আমান কমিটির সদস্য এবং অন্যান্য স্থানীয় অংশীদারের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করা হয়েছে।
পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, বৈঠকের উদ্দেশ ছিল, উচ্ছেদের সময় শান্তি বজায় রাখা এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করা। বিশৃঙ্খলা এড়াতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেছে তারা।
দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর পৌর কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। পুলিশ পরিমিত ও সীমিত বল প্রয়োগ করে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।’
পুলিশের সেন্ট্রাল রেঞ্জের যুগ্ম কমিশনার মধুর ভার্মা আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দিল্লি পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সব বিচারিক নির্দেশনাকে আইনগত, পেশাদারত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীলভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।’
মসজিদের পাশের স্থাপনা উচ্ছেদ করতে প্রশাসন প্রায় ১৭টি বুলডোজার ব্যবহার করেছে।
