কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের মাদারটারী ফকিরপাড়া এলাকায় বসতভিটার পাশ ঘেঁষে গভীর গর্ত করে পুকুরের মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে দুই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এতে বসতভিটার একাংশ ধসে পড়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মো. ছক্কু মিয়া। এ ঘটনায় তিনি উলিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন, একই এলাকার মৃত মেহের আলীর ছেলে আব্দুর রহমান (৬০) ও আব্দুর রাজ্জাক (৪৫)।
লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ছক্কু মিয়ার বসতভিটার পাশেই অভিযুক্তদের একটি পুকুর রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা বসতভিটার সীমানা ঘেঁষে গভীর গর্ত করে পুকুর থেকে মাটি উত্তোলন করে আসছেন। এতে বসতভিটার একাংশ ধসে পুকুরে পড়ে যায়। একাধিকবার নিষেধ করা হলেও তারা মাটি কাটা বন্ধ না করে আরও গভীরভাবে মাটি উত্তোলন করেন। ফলে বসতভিটাসহ বাড়ির অংশবিশেষ ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৮ জুন সকাল প্রায় ১০টার দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় পুকুরের পাড় থেকে মাটি কাটতে শুরু করলে পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় প্রতিবাদ জানালে তারা ছক্কু মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ছক্কু মিয়া জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে তিনি আইনি প্রতিকার চেয়ে উলিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান বলেন, ছক্কু মিয়ার বাড়ির একটি অংশ এখনো তাদের সীমানার মধ্যে রয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তারা মেনে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বলেন, “বিষয়টি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
আমার বাঙলা/ রাব্বি
