মুন্সীগঞ্জ পোলট্রি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে চরকেওয়ার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির নির্বাচিত হওয়ার পর, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বইছে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড়।
সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী একজন ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা একই সঙ্গে কোনো ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন কি না— এ প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১১ জুলাই) জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার একটি রেস্টুরেন্টে মুন্সীগঞ্জ পোলট্রি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২ বছর মেয়াদে কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হন মো. হুমায়ুন কবির। ওই নতুন কমিটির পক্ষ থেকে পোলট্রি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা, ব্যবসার উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। যা স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়াতে লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে- স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা যেহেতু একজন সরকারি কর্মচারী, তাই কোনো ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা সরকারি চাকরির আচরণবিধি ও স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টি সামনে আনতে পারে। এ কারণে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, শনিবার আমাদের কমিটি গঠন হয়েছে ১১ সদস্য বিশিষ্ট। তবে আমাদের সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ৩৩। আমি এবার নিয়ে ৫ বার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি।
আপনি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়ে আর্থিক বা সমিতির প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হলেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা দেখভাল করি, কোন লেনদেন হয় না। এ বিষয়ে বিধিনিষেধ আমার জানা নেই।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা এ বিষয় বলেন, আমি যেহেতু এ উপজেলায় নতুন। আপনার কাছ থেকে বিষয়টা জানলাম। খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
