বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই ভক্তদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে। তার বয়স ষাটের ঘরে পৌঁছালেও এখনও অবিবাহিত এই তারকার প্রেমজীবন নিয়ে আলোচনা থামেনি কখনও। সংগীতা বিজলানি, ঐশ্বরিয়া রাই, ক্যাটরিনা কাইফ কিংবা সোমি আলির সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বহু কথা শোনা গেলেও এবার সামনে এলো তার প্রথম প্রেমের অজানা অধ্যায়।
প্রথম প্রেম ছিলেন কিয়ারা আদভানির আত্মীয়
বলিউড সূত্রে জানা গেছে, সালমান খানের প্রথম প্রেমিকা ছিলেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির আপন মাসি শাহীনা জাফরি। তিনি ছিলেন বলিউডের আলোচনার বাইরে থাকা এক পরিচিত নাম, যাকে নিয়ে এতদিন খুব বেশি তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।
কলেজ জীবনেই শুরু প্রেমের গল্প
জানা যায়, সালমান খান যখন মুম্বাইয়ের সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। সেই সময়েই শাহীনা জাফরির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে এবং সম্পর্কটি প্রেমে রূপ নেয়। তখন সালমান চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশও করেননি।
পরিবারের সদস্যরাও এই সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবে দেখতেন এবং তাদের বিয়ে নিয়েও আলোচনা ছিল বলে জানা যায়। দীর্ঘ সময় সম্পর্ক চললেও শেষ পর্যন্ত তা স্থায়ী হয়নি।
পরিবার ও সম্পর্কের সংযোগ
শাহীনা জাফরি ছিলেন প্রখ্যাত অভিনেতা অশোক কুমারের নাতনি এবং কিয়ারা আদভানির আপন মাসি। পারিবারিকভাবে তাদের সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। শাহীনার মা ভারতী জাফরিও এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তরুণ বয়সে সালমান ও শাহীনা একে অপরের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন।
বলিউডে প্রবেশের পর বদলে যায় সম্পর্কের সমীকরণ
চলচ্চিত্রে সালমান খানের অভিষেকের পর তার জীবনে আসে নতুন মোড়। মডেল ও অভিনেত্রী সংগীতা বিজলানির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। এরপর ধীরে ধীরে শাহীনার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটে।
পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় সংগীতার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সালমান, এমনকি তাদের বিয়ের প্রস্তুতিও হয়েছিল বলে শোনা যায়। তবে সেই সম্পর্কও ভেঙে যায়।
একাধিক সম্পর্কের আলোচনায় সালমান খান
এরপর বলিউডে একের পর এক তারকা নারীর সঙ্গে সালমান খানের নাম জড়িয়েছে। ঐশ্বরিয়া রাই ও ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে তার সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে। তবে কোনো সম্পর্কই বিয়ের পরিণতি পায়নি।
বর্তমানে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে রোমানিয়ান গায়িকা ইউলিয়া ভন্তুরের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়, যদিও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা নেই।
বলিউডের ভাইজানের প্রথম প্রেমের এই অজানা অধ্যায় ফের তার ব্যক্তিগত জীবনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
