ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বুধবার (১২ আগস্ট) আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট ভবনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এরদোয়ান বলেন, ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের দায়িত্ব। তুরস্ক প্রতিটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও ন্যায্য দাবির পক্ষে জোরালোভাবে কথা বলা অব্যাহত রাখবে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের সমালোচনা করে এরদোয়ান বলেন, দখলকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে গোটা বিশ্বের চোখের সামনে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি উপেক্ষা বা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
তুরস্ক ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের ন্যায্য দাবিকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে বলেও জানান এরদোয়ান।
আজকের এই পরিস্থিতিকে ‘পরিকল্পিত দখলদারিত্ব’ হিসেবে উল্লেখ করে এরদোয়ান বলেন, নেতানিয়াহু সরকার বিশৃঙ্খলা ও নতুন সংঘাতকে কাজে লাগিয়ে ফিলিস্তিন ইস্যুকে বৈশ্বিক আলোচনার বাইরে ঠেলে দিতে চায়। তবে তারা এতে সফল হবে না।
আল-আকসা মসজিদসহ মুসলিমদের পবিত্র স্থানগুলোর বর্তমান স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টারও কঠোর বিরোধিতা করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, তুরস্ক এ ধরনের উসকানির তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি আঙ্কারার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে এরদোয়ান বলেন, ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও ভৌগোলিকভাবে অবিচ্ছিন্ন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তুরস্ক দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাবে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
সান নিউজ/ জামান
