এক ম্যাচেই অনন্য দুটি মাইলফলক স্পর্শ করলেন লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির হয়ে শততম গোলের দেখা পাওয়ার ঐতিহাসিক দিনেই দলকে এনে দিলেন আরেকটি নতুন শিরোপা। মেক্সিকোর ক্লাব ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে এই শিরোপা জিতেছে মায়ামি। ম্যাচে একটি গোল নিজে করার পাশাপাশি আরেকটি গোলে দারুণ অবদান রাখেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর।
বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ফ্লোরিডার ন্যু স্টেডিয়ামে মেজর লিগ সকারের চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মায়ামি ও লিগা এমএক্সের চ্যাম্পিয়ন ক্রুজ আজুল মুখোমুখি হয়। ম্যাচের ২৪ মিনিটেই সতীর্থ লুইস সুয়ারেজের নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি।
এর আগে ন্যাশভিলের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে গোল করে ইন্টার মায়ামির হয়ে ৯৯তম গোল পূর্ণ করেছিলেন তিনি। ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে সেই কাঙ্ক্ষিত অপেক্ষার অবসান ঘটে। ক্লাবটির জার্সিতে ১১৫ ম্যাচেই ১০০ গোল পূর্ণ করেন ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। এর মধ্য দিয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যা এখন দাঁড়াল ৯২৯টিতে।
বিশেষ এই রেকর্ডের পেছনে রয়েছে দারুণ এক পরিসংখ্যান। কোনো ক্লাব বা জাতীয় দলের হয়ে এটিই মেসির সবচেয়ে দ্রুত ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার রেকর্ড। এর আগে বার্সেলোনার হয়ে ১০০ গোল করতে তার প্রয়োজন হয়েছিল ১৮৮ ম্যাচ এবং আর্জেন্টিনার হয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছাতে খেলেছিলেন ১৭৪ ম্যাচ। সেখানে মায়ামির জার্সিতে মাত্র ১১৫ ম্যাচেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন তিনি।
ম্যাচের শেষ দিকে আবারও গোলের সঙ্গে নিজের নাম জড়ান মেসি। ৮১ মিনিটে তার নেওয়া নিখুঁত কর্নার কিক থেকে গোল করেন কাসেমিরো। ফলে ২-০ ব্যবধানের জয় ও শিরোপা নিশ্চিত করে উল্লাসে মাতে ইন্টার মায়ামি। এটি মেসির বর্ণিল ক্যারিয়ারের ৪৯তম ট্রফি।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে লিগস কাপ জয়ের মধ্য দিয়ে মায়ামির হয়ে নিজের প্রথম শিরোপা জিতেছিলেন মেসি। এরপরের বছর ক্লাবটি জেতে সাপোর্টার্স শিল্ড। সেই মৌসুমে এমএলএসে রেকর্ড ৭৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছিল মায়ামি। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এমএলএস কাপ জয়ের পথেও দলের হয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এই বিশ্বজয়ী তারকা।
আমার বাঙলা/রাজীব
