ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ননদ জামাইয়ের পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। তবে ওই গৃহবধূর দাবি, আত্মরক্ষার জন্য তিনি এ কাজ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ননদ জামাই তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে প্রথমে বরিশাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার গাবারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রমজানকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মিঠু মল্লিক (৪০) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চাখার এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মোশাররফ মল্লিকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঝালকাঠিতে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে একটি ফার্মেসি পরিচালনা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ওই গৃহবধূর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে মিঠু মল্লিক গুরুতর আহত হন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
অভিযুক্ত গৃহবধূ বলেন, তাঁর স্বামী স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক। ঘটনার সময় তিনি বিদ্যালয়ে ছিলেন। ননদও কর্মস্থলে চলে যান। এ সুযোগে মিঠু মল্লিক বাড়িতে এসে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি তাঁকে উত্যক্ত করে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করেন ওই গৃহবধূ। তিনি বলেন, আত্মরক্ষার জন্য একটি ব্লেড দিয়ে তিনি মিঠু মল্লিকের পুরুষাঙ্গে আঘাত করেন।
গৃহবধূর অভিযোগের বিষয়ে আহত মিঠু মল্লিকের বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। প্রথমবার সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর কলটি কেটে দেওয়া হয়। পরে একই নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও আর সাড়া মেলেনি। তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সান নিউজ/ জামান
