চীন যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে তবে হতাশ হবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চীন ইরানকে কাঁধে বহনযোগ্য ৩০০ থেকে ৪০০টি আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক সরবরাহ করতে পারে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরই বিষয়টি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্যক্তিগতভাবে তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে বেইজিং তেহরানের কাছে কোনো ধরনের অস্ত্র বিক্রি করবে না, ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প সেই অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
পূর্বে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাতে জানানো হয়েছিল যে তেহরান তাদের সামরিক সরঞ্জাম পূরণের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং বেইজিং তাদের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, বেইজিং ও মস্কো ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ থেকে বিরত রয়েছে এবং এমন পদক্ষেপ তাদের নিজেদের স্বার্থের পরিপন্থী হবে।
মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার পর রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক তেহরানকে কোনো তথ্য প্রদান করছে কি না, ওয়াশিংটন তা খতিয়ে দেখছে। ট্রাম্প স্মরণ করিয়ে দেন যে গত মে মাসে বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শি জিনপিং তাকে স্পষ্টভাবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং তিনি তার কথা বিশ্বাস করছেন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও অনুরূপ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, ‘পুতিন বোঝেন যে আমি ইউক্রেনের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি না, বরং ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর কাছে বিক্রি করি। তারা পুরো মূল্য পরিশোধ করে এবং সেই অস্ত্র কীভাবে বণ্টন হয় সে বিষয়ে আমার ধারণা নেই।’ বিশ্বনেতাদের এই ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রেখে ট্রাম্প আশা করেন যে তিনি নিরাশ হবেন না।
সূত্র: এনডিটিভি
সান নিউজ/ হুমায়রা
