হত্যাচেষ্টার ছয় দিন পর স্বশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে সুষ্ঠু বিচার চেয়ে এজাহার দায়ের করেছেন ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনকে আসামি করে এজাহার দেন।
গত ১৯ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে জয়নগর কিন্ডারগার্টেনের কাছে একদল দুর্বৃত্ত শরিফুল ইসলামের পথরোধ করে। এ সময় তাকে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শরিফুলের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
চিকিৎসকরা শরিফুলের গলায় ৬ থেকে ৭টি শর্টগানের স্প্লিন্টার শনাক্ত করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মঙ্গলবার ঈশ্বরদী থানায় উপস্থিত হয়ে এজাহার দায়ের করেন তিনি।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এবং ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান শরিফুল ইসলাম শরিফের এজাহার গ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, হামলার ঘটনার পর থেকেই পুলিশ আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে। নিয়ম অনুযায়ী এজাহার প্রয়োজন ছিল। আজ সেটি পাওয়া গেছে। মামলা লিপিবদ্ধ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
