বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির দায়িত্ব ছাড়লেও দক্ষিণ এশিয়া ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) নেতৃত্বে থাকলেন কাজী সালাউদ্দিন। শনিবার (১ আগস্ট) ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও সাফের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
২০০৮ সালে বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো সাফের সভাপতির দায়িত্ব নেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার। এরপর থেকে টানা প্রতিটি নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি এবার পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি নির্বাচিত হলেন।
এর আগে সাফের গঠনতন্ত্রে সভাপতির সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের নির্বাহী কমিটিতে থাকার সীমাবদ্ধতা ছিল। তবে গত বছর গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে এসব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকেই সালাউদ্দিনের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে ওঠে।
সাফের নির্বাচনে প্রার্থী হতে সদস্য দেশগুলোর সমর্থন ও প্রস্তাব প্রয়োজন হয়। এবার কাজী সালাউদ্দিন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সমর্থন নেননি। পরিবর্তে নেপাল ও ভুটানের সমর্থন নিয়ে সভাপতি পদে প্রার্থী হন এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
সাফের নির্বাচনের মনোনয়ন জমা ও প্রত্যাহার মাস খানেক আগেই শেষ হয়েছে। সালাউদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হওয়ায় শুধু বাকী ছিল আনুষ্ঠানিকতা। শনিবার (১ আগস্ট) ভুটানের থিম্পুতে কংগ্রেসে সেই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
বিকালে সাফের ড্র রয়েছে। নেপাল ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকায় তারা ড্রতে নেই। আজকের কংগ্রেসে নেপালকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে টুর্নামেন্টে খেলতে পারবে অন্যথায় নয়। নেপালের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপে পড়বে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
