কত বছর পর বোনের খোঁজ নিলেন বা এর আগে বোনের খোঁজ নেননি কেন জানতে চাইলে হাবিব উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমি অসুস্থ। আমার কিডনির সমস্যা। দিনে ১৩টা ওষুধ খাওয়া লাগে। টাকাপয়সাও নাই। তবে এই বোনের পেছনে একসময় লাখ লাখ টাকা খরচ করছি। ঢাকার বড় বড় ডাক্তার দেখাইছি।’
ভর্তির নথিতে থাকা হাবিব উল্লাহ চৌধুরীর মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ, তা–ও স্বীকার করলেন। বলেন,‘পাবনার হাসপাতালে বোনরে ভর্তির পর একবার বাড়ি আনছিলাম। তারপর উল্টাপাল্টা করলে আবার ভর্তি করাই।’
কত বছর ধরে বোনের সঙ্গে যোগাযোগ নেই, তা ঠিকভাবে এখন আর মনে করতে পারেন না হাবিব উল্লাহ চৌধুরী। জানালেন, তাঁরা দুই ভাই পাঁচ বোন ছিলেন। বড় ভাই মারা গেছেন। সবার ছোট বোন নাইমাও মারা গেলেন।
