বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট রিট দায়ের করা হয়েছে। চুক্তিতে ১৩১ বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের কথা বলা হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশের কথা আছে মাত্র ছয় বার। রিটে চুক্তিটিকে অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে অসম ও বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থপরিপন্থী বলা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম পলক ও সুবীর নন্দী দাস রিটটি দায়ের করেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, চুক্তিটির আলোচনা ও সম্পাদনের ক্ষেত্রে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ রক্ষায় বিবাদীরা ব্যর্থ হয়েছেন। রিটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবদেরকে বিবাদী করা হয়েছে।
চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ দায়, প্রতিকূল শুল্ক ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রক স্বায়ত্তশাসনের অবক্ষয়, দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশগত সুরক্ষার সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কিত উদ্বেগ উত্থাপন করে সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও রিটে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে এবং সংবিধানের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে রিটে দাবি করা হয়েছে।
চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর অসম শুল্ককাঠামো, নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা খর্ব এবং দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশিস রায়ের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে জানান রিটকারি আইনজীবী মাইদুল ইসলাম পলক।
সাননিউজ/আরএ
