সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়নি বা ঐকমত্যের ভিত্তিতে আসেনি, সেগুলোও বিবেচনা করা হবে। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে থাকা সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত প্রস্তাবও আলোচনায় রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধনের আলোচনায় রাজনৈতিক দলগুলোকে যুক্ত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলোসহ সব পক্ষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে কাজটি এগিয়ে নিতে চায় কমিটি।
কমিটির সভাপতি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপনের জন্য জোর চেষ্টা চলছে। এরপর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংবিধান সংশোধনের বিল আনবে।
তিনি বলেন, আগামী বছরের প্রথম অধিবেশন, অর্থাৎ জানুয়ারি সেশনে বিলটি উত্থাপন হতে পারে। বিলের ওপর আলোচনা, সংশোধনী প্রস্তাব ও বিরোধিতা থাকলে সেগুলো বিবেচনার পর সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সংশোধনী পাস হবে। গণভোটের বাধ্যবাধকতা থাকা সংশোধনীগুলো রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোটে যাবে।
