সোমবার (২৯ জুন) চট্টগ্রামের ইপসা এইচআরডি সেন্টারে বিলস আয়োজিত জাহাজভাঙা শিল্প খাতের ২০২৬ সালের অর্ধবার্ষিক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন উপস্থাপন সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের আহ্বায়ক তপন দত্তের সভাপতিত্বে এবং বিলস চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সমন্বয়ক ফজলুল কবির মিন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সংঘটিত দুর্ঘটনার মধ্যে ২১টি দিনে এবং সাতটি রাতে ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে এপ্রিল মাসে। মোট দুর্ঘটনার প্রায় ৮০ শতাংশ ঘটেছে গার্ডার বা ভারী বস্তু পড়ে যাওয়া, ক্রেন-হুক-ওয়্যারজনিত দুর্ঘটনা এবং গ্যাস ও অগ্নিকাণ্ডের কারণে।
সভায় প্রধান অতিথি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জাহাজভাঙা শিল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে এ শিল্পের টেকসই বিকাশের জন্য শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, বিলসের এই প্রতিবেদন মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তনে সহায়ক হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাটারম্যান, কাটার হেলপার, ক্রেন হেলপার, ওয়্যার গ্রুপ, ফিটারম্যান ও লোডিং গ্রুপের শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। অনিরাপদ আচরণ, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই)-এর ঘাটতি, তদারকির অভাব এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাবকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
