নিকোটিনের ক্ষতি শুধু শরীরের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, এর প্রভাব পড়তে পারে দাম্পত্য জীবনেও। ধূমপান বা অতিরিক্ত নিকোটিন গ্রহণ যৌন আকাঙ্ক্ষা, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সিগারেট, ই-সিগারেট, ভেপ বা অন্যান্য নিকোটিনজাত পণ্য থেকে অতিরিক্ত নিকোটিন শরীরে প্রবেশ করলে তা হরমোনের ভারসাম্য ও রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে যৌন স্বাস্থ্যে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি
২০২০ সালে ভারতের মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, যারা দীর্ঘদিন নিকোটিন বা সিগারেটের ওপর নির্ভরশীল, তাদের মধ্যে যৌন সমস্যার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।
গবেষণায় বলা হয়েছে, নিকোটিন রক্তনালী সংকুচিত করে, যার ফলে যৌনাঙ্গে রক্তপ্রবাহ কমে যেতে পারে। এতে যৌন উদ্দীপনা, ইরেকশন ধরে রাখার সক্ষমতা এবং যৌন তৃপ্তির ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
এ ছাড়া ২০২১ সালে জাপানের কানাজাওয়া ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েট স্কুল অব মেডিকেল সায়েন্সের এক গবেষণায় দেখা যায়, মধ্যবয়সী ও বয়স্ক পুরুষদের দীর্ঘদিনের ধূমপানের অভ্যাস যৌন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিতে পারে।
নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যেও নেতিবাচক প্রভাব
নারীদের ওপর গবেষণা তুলনামূলক কম হলেও ফলাফল উদ্বেগজনক। ২০১৩ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, তীব্র নিকোটিন নির্ভরশীল নারীদের যৌন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া এবং বিভিন্ন যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ নারীদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।
এছাড়া ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কলেজ অব মেডিসিনের গবেষণায় দেখা গেছে, মেনোপজ-পূর্ব নিয়মিত ধূমপায়ী নারীদের মধ্যে যৌন আকাঙ্ক্ষা, উদ্দীপনা এবং তৃপ্তির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
কীভাবে ক্ষতি করে নিকোটিন
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিকোটিন মানুষের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র এবং হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায়। এর ফলে যৌন আকাঙ্ক্ষা ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন হরমোনের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
ধূমপান ছাড়লে মিলতে পারে সুফল
গবেষকদের মতে, নিকোটিনের এই প্রভাব অনেক ক্ষেত্রেই স্থায়ী নয়। ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সম্পূর্ণভাবে ধূমপান ছেড়েছেন, তাদের মধ্যে এক থেকে দুই বছরের মধ্যে যৌন স্বাস্থ্য ও প্রজনন সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং স্বাভাবিক যৌন আকাঙ্ক্ষাও ফিরে এসেছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ দাম্পত্য জীবন ও ভালো প্রজনন স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সব ধরনের তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্য এড়িয়ে চলা উচিত। জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের পরও যদি যৌন আকাঙ্ক্ষার ঘাটতি বা অন্য কোনো সমস্যা থেকে যায়, তবে দেরি না করে ইউরোলজিস্ট বা যৌনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নিকোটিনের ক্ষতি শুধু শরীরের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, এর প্রভাব পড়তে পারে দাম্পত্য জীবনেও। ধূমপান বা অতিরিক্ত নিকোটিন গ্রহণ যৌন আকাঙ্ক্ষা, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সিগারেট, ই-সিগারেট, ভেপ বা অন্যান্য নিকোটিনজাত পণ্য থেকে অতিরিক্ত নিকোটিন শরীরে প্রবেশ করলে তা হরমোনের ভারসাম্য ও রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে যৌন স্বাস্থ্যে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি
২০২০ সালে ভারতের মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, যারা দীর্ঘদিন নিকোটিন বা সিগারেটের ওপর নির্ভরশীল, তাদের মধ্যে যৌন সমস্যার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।
গবেষণায় বলা হয়েছে, নিকোটিন রক্তনালী সংকুচিত করে, যার ফলে যৌনাঙ্গে রক্তপ্রবাহ কমে যেতে পারে। এতে যৌন উদ্দীপনা, ইরেকশন ধরে রাখার সক্ষমতা এবং যৌন তৃপ্তির ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
এ ছাড়া ২০২১ সালে জাপানের কানাজাওয়া ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েট স্কুল অব মেডিকেল সায়েন্সের এক গবেষণায় দেখা যায়, মধ্যবয়সী ও বয়স্ক পুরুষদের দীর্ঘদিনের ধূমপানের অভ্যাস যৌন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিতে পারে।
নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যেও নেতিবাচক প্রভাব
নারীদের ওপর গবেষণা তুলনামূলক কম হলেও ফলাফল উদ্বেগজনক। ২০১৩ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, তীব্র নিকোটিন নির্ভরশীল নারীদের যৌন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া এবং বিভিন্ন যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ নারীদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।
এছাড়া ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কলেজ অব মেডিসিনের গবেষণায় দেখা গেছে, মেনোপজ-পূর্ব নিয়মিত ধূমপায়ী নারীদের মধ্যে যৌন আকাঙ্ক্ষা, উদ্দীপনা এবং তৃপ্তির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
কীভাবে ক্ষতি করে নিকোটিন
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিকোটিন মানুষের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র এবং হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায়। এর ফলে যৌন আকাঙ্ক্ষা ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন হরমোনের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
ধূমপান ছাড়লে মিলতে পারে সুফল
গবেষকদের মতে, নিকোটিনের এই প্রভাব অনেক ক্ষেত্রেই স্থায়ী নয়। ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সম্পূর্ণভাবে ধূমপান ছেড়েছেন, তাদের মধ্যে এক থেকে দুই বছরের মধ্যে যৌন স্বাস্থ্য ও প্রজনন সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং স্বাভাবিক যৌন আকাঙ্ক্ষাও ফিরে এসেছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ দাম্পত্য জীবন ও ভালো প্রজনন স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সব ধরনের তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্য এড়িয়ে চলা উচিত। জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের পরও যদি যৌন আকাঙ্ক্ষার ঘাটতি বা অন্য কোনো সমস্যা থেকে যায়, তবে দেরি না করে ইউরোলজিস্ট বা যৌনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
