জামালপুরের মেলান্দহে দ্রুতগামী একটি ট্রাক প্রথমে মোটরসাইকেল ও পরে অটোরিকশাকে চাপা দিলে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের আট মাসের কন্যাশিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ শনিবার সকালে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে সড়কটির নয়ানগর ইউনিয়নের বুরুঙ্গা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত চারজন হলেন:
– মোরশেদ আলম (২৫), বাড়ি ইসলামপুর উপজেলার ইন্দুল্লামারী এলাকায়
– মোরশেদের স্ত্রী ইকরামা (২৩)
– তাঁদের আট মাস বয়সী মেয়ে রিফা
– শওকত হাসান লিখন (৪৫), বাড়ি মেলান্দহের বকুলতলায়। তিনি মোটরসাইকেলে ছিলেন।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন শিহাটা এলাকার মৃত লেঞ্জা মিয়ার ছেলে হযরত আলী (৩৫) এবং মো. শাকিল মিয়া (১৬)। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, সকালে মেলান্দহের শিমুলতলী থেকে একটি অটোরিকশা জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। উল্টো দিকে জামালপুর থেকে মেলান্দহের পথে ছিল একটি মোটরসাইকেল। তখন পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক আগে মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে চাপা দেয়। এরপর ট্রাকটি অটোরিকশার ওপরও উঠে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
মোরশেদ আলম ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত স্ত্রী ইকরামা ও ছোট্ট রিফাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হচ্ছিল, পথেই তাদের মৃত্যু হয়।
বাকি তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শওকত হাসান লিখন। বাকি দুজনকে পরে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়।
মেলান্দহ থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটকে রাখেন। তবে চালক ঘটনার পরপরই পালিয়ে যান। চালককে চিহ্নিত করে ধরার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
সান নিউজ / রাজীব
