এক ঝলকে
মূল ঘটনা: ইরানের বিরুদ্ধে ফের নতুন সামরিক অভিযানের কঠোর হুংকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের
সম্ভাব্য সময়: আজ রোববারই তেহরানের ওপর হামলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত
অতীত সংঘাত: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই
অন্যান্য বিষয়: তেহরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্পের সংশয় এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ে মধ্যস্থতার খবর ইরানের পক্ষ থেকে অস্বীকার
আরেক দফায় বড় ধরনের সংঘাতের আবহে উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে মধ্যপ্রাচ্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক আক্রমণ চালানোর কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
ফ্লোরিডায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, আজ রোববারই ইরানে মার্কিন বাহিনী হামলা চালাতে পারে। তবে একইসঙ্গে তেহরানের সঙ্গে একটি বড় মাপের কূটনৈতিক শান্তিচুক্তির সম্ভাবনাও পুরোপুরি খারিজ করে দেননি তিনি।
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, আজকের দিনটিতেই যেমন বড় কোনো সামরিক পদক্ষেপ আসতে পারে, তেমনি কোনো সুন্দর ও বড় সমঝোতা চুক্তির দরজাও খোলা থাকতে পারে। যদিও ইরানের ওপর সরাসরি সামরিক হামলা চালানোর বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। এর আগে ফ্লোরিডার একটি জনসভার মঞ্চ থেকেও তিনি হুংকার দিয়েছিলেন যে, ওয়াশিংটন তেহরানের বিরুদ্ধে ‘এপিক ফিউরি’ নামের আরেকটি বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে।
মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক আগ্রাসনের পর থেকেই এই অঞ্চলে স্থায়ী উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই রক্তক্ষয়ী হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই প্রাণ হারিয়েছিলেন।
পাশাপাশি তেহরানের সামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধনের দাবি করে ট্রাম্প জানান, মার্কিন বাহিনীর জোরালো আক্রমণে ইরানের বহু যুদ্ধবিমান ও নৌযান ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে ইরানের সঙ্গে কোনো সুদূরপ্রসারী শান্তিচুক্তি সই হওয়া নিয়ে নিজের সংশয়ের কথা লুকাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তার প্রশ্ন, কোনো চুক্তি হলেও তেহরান শেষ পর্যন্ত তা মেনে চলার মতো আস্থা রাখবে কি না। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করে দেওয়ার শর্তে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ তুলে নেওয়ার যে প্রস্তাব পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল বলে গুঞ্জন উঠেছিল, তা সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান।
ফলে চলমান এই ভূরাজনৈতিক সংকটের কূটনৈতিক কোনো স্থায়ী সমাধান মিলবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সান নিউজ / রাজীব
