রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের ঝাউচর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরঘেঁষা ওয়াকওয়েটি একসময় ছিল সাধারণ মানুষের হাঁটা, শরীরচর্চা ও পরিবারের সঙ্গে অবসর কাটানোর অন্যতম স্থান। কিন্তু বর্তমানে সন্ধ্যা নামলেই ওয়াকওয়ের বড় একটি অংশ অন্ধকারে ডুবে যায়। পর্যাপ্ত আলোর অভাবে এলাকাটি নিয়ে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর ওয়াকওয়ের বিভিন্ন স্থানে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীদের বড় বড় দল জড়ো হয়। তাদের একটি অংশের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ধূমপান, মাদক সেবন এবং অশোভন আচরণের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের আনাগোনা ও বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের আশঙ্কায় অনেক পরিবার সন্ধ্যার পর এই ওয়াকওয়েতে যেতে নিরুৎসাহিত হন।
সম্প্রতি কামরাঙ্গীরচরের ঝাউচর এলাকায় হাজারীবাগ থানা পুলিশের অভিযানে কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্য গ্রেফতার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। তবে স্থানীয়দের মতে, অভিযানের পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনের অনুকূল পরিবেশও দূর করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধপ্রবণ এলাকায় পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, নিয়মিত পুলিশ টহল এবং সিসিটিভি নজরদারি অপরাধ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অথচ বুড়িগঙ্গা পাড়ের এই গুরুত্বপূর্ণ ওয়াকওয়েতে এখনও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। ফলে অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
এলাকার সচেতন নাগরিকদের দাবি, ওয়াকওয়ের পুরো এলাকায় দ্রুত আধুনিক স্ট্রিট লাইট স্থাপন, নিয়মিত পুলিশ টহল বৃদ্ধি এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা
