বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন। ইতোমধ্যে অধিবেশনের প্রথম দিনের কার্যসূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সংসদ সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত কার্যসূচিতে প্রথম দিনের বিস্তারিত কর্মসূচি জানানো হয়।
সংসদ সচিবালয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-১ থেকে প্রকাশিত কার্যসূচি অনুযায়ী, অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন ও শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। এরপর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাব দেওয়া হবে।
এরপর সংসদীয় বিধি-৭১ অনুযায়ী জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ নিষ্পত্তি করা হবে।
এদিন বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবও উত্থাপন করা হবে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কৃষি কলেজ স্থাপন, চট্টগ্রামের পটিয়ায় আদালত ভবন দ্রুত নির্মাণ, নরসিংদীর একটি সড়ক ভৈরব রেলস্টেশন পর্যন্ত সম্প্রসারণ এবং সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয় রয়েছে।
এ ছাড়া প্রথম দিনের কার্যসূচিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপনের বিষয় রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপনের অনুমতি চাইবেন। অনুমতি পাওয়ার পর বিলটি উত্থাপন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।
একই মন্ত্রী ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের অনুমতিও চাইবেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে বিলটি আনা হচ্ছে। বিলটি উত্থাপনের পর সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব থাকবে।
অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের অনুমতি চাইবেন। গুম প্রতিরোধ, এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার সংরক্ষণ এবং প্রতিকার দেওয়ার পাশাপাশি মানবাধিকার, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই এই বিলের মূল উদ্দেশ্য।
অনুমতি পাওয়ার পর বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হবে এবং পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
