বর্তমানে বিচারব্যবস্থার ওপর কোনো রাজনৈতিক চাপ বা বল প্রয়োগ নেই বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেছেন, বিচারব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হবে এটি সরকারের প্রত্যাশা। প্রচলিত ব্যবস্থায় সব মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয়। কেননা দেশে অনেক বিচারকের অভাব রয়েছে।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার কাজল বলেন, সরকার পল্লবীর সেই শিশু ধর্ষণ ও হত্যাসহ অন্যান্য মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে বিশেষভাবে উদ্যোগ নিয়েছে। মিডিয়ার মাধ্যমে বিচার না করে আদালতের মাধ্যমেই যেন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়, সেই বিষয়ে নজর রাখতে হবে।
সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি মাসউদুর রহমানের সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভায় অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির প্রমুখ।
সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমাদের দুটি ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ চলছে। এরই মধ্যে প্রায় ৩০টি মামলা বিচারাধীন। আরও নতুন মামলার সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। এজন্য ট্রাইব্যুনাল, প্রসিকিউশন টিম ও তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি মামলা পুনঃতদন্তে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বলেন, পল্লবীর শিশুহত্যা মামলার বিচারের মাধ্যমে সরকার তার সক্ষমতার প্রমাণ করেছে। তাহলে অন্য মামলাগুলোর বিচারও কেন দ্রুত নিষ্পত্তি করা যাবে না। মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলো নিষ্পত্তি করতে বিশেষ অ্যাডহক বিচারক নিয়োগের পরামর্শও দেন তিনি।
আমার বাঙলা/আরএ
