দেশের ১১ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে টানা তাপপ্রবাহের পর রাজধানীতে বৃষ্টি শুরু হয়েছে গত ২৬ এপ্রিল থেকে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এ সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে। তবে একটানা বৃষ্টি বা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। আর তাতে অন্তত চলতি সপ্তাহে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কম।
শনিবার রাজধানীসহ দেশের প্রায় সব এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হয়েছে। বেশি বৃষ্টি হয়েছে বৃহত্তর সিলেটে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, ১৬২ মিলিমিটার। রাজধানীতে এ সময় বৃষ্টি হয়েছে ২৬ মিলিমিটার।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, আগামী অন্তত পাঁচ থেকে ছয় দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তবে একটানা বৃষ্টি না-ও হতে পারে। বৃষ্টি অপেক্ষাকৃত বেশি হতে পারে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হাওর এলাকায়। আর দক্ষিণাঞ্চলেও বৃষ্টি বেশি হতে পারে। তবে রাজশাহী ও রংপুরে বৃষ্টি কমে হতে পারে।
এ সময়টায় বেশি তাপমাত্রা থাকে রাজশাহী ও রংপুরেই। গত মাসের শেষ দিকে এই দুই বিভাগের অনেক এলাকায় তাপপ্রবাহ চলেছে। তবে এ সপ্তাহে দেশে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কমবে বলেই জানিয়েছেন বজলুর রশীদ।
আজ সকাল ছয়টায় ঢাকার বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীতে, ৩৩ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সাননিউজ/আরএ
