অন্তর্বর্তী সরকারের করা শতাধিক অধ্যাদেশের মধ্যে বর্তমান সংসদে যেগুলো পাশ হয়নি বা বাদ পড়েছে তার মধ্যে মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অন্যতম। সরকার নতুন করে এ আইনের খসড়া করেছে। তবে অন্তর্বর্তী সময়ে কমিশনকে স্বাধীন সংস্থা হিসেবে যত ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল, নতুন খসড়া আইনে তার অনেকগুলোই খর্ব করা হয়েছে বলে দাবি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, খসড়াটি আইনে পরিণত হলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি স্বাধীন ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে না।
গুমের অভিযোগের তদন্তেও অন্তবর্তী সরকারের অধ্যাদেশে থাকা কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে বলে মনে করে টিআইবি। এছাড়া অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের আটকের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পূর্বনুমতির বিধান আবার রাখা হয়েছে। যেটি পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
একইসঙ্গে কমিশনের বাজেট, চেয়ারম্যান-কমিশনার নিয়োগে স্বচ্ছতাসহ কমিশনের ওপর সরকারের কর্তৃত্ব বাড়াতে যেসব ধারা রয়েছে, সেসব পরিবর্তনের সুপারিশও করা হয়েছে।
পাশাপাশি কমিশনের কার্যক্রম উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণের সুপারিশও করেছে টিআইবি। এসব সুপারিশ আইনমন্ত্রীসহ সরকার এবং বিরোধী দলের কাছে পৌঁছে দেবে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।
আমার বাঙলা/ রাব্বি
