বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই বিএনপি তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রবর্তন এবং খাল খনন কর্মসূচির কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডেঙ্গু, মাদক ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য সরকারি প্রণোদনা বিতরণ উপলক্ষে ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদের সভাপতিত্বে এবং ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, কলাপাড়াকে চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করার পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়নে সকল দল-মতের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি জানান, এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর কলাপাড়ার সাতটি মসজিদ ও দুটি মন্দিরে সরকারি অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ঈদের পর ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হবে এবং আরও ৩৫টি রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণে দরপত্র আহ্বান করা হবে। এছাড়া মাধ্যমিক স্তরের পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী হুমায়ূন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, কলাপাড়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম, জামায়াতের সম্পাদক মাওলানা মোরশেদুল আলম এবং প্রেসক্লাব সভাপতি নেছার উদ্দিন আহমেদ টিপু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কলাপাড়ার ১৪টি মসজিদ, ২টি মন্দির, একটি গির্জা ও একটি বৌদ্ধ বিহারের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত ও সংশ্লিষ্টদের হাতে সরকারি প্রণোদনা তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইসলামী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৫ জনকে ৬ হাজার টাকার চেক এবং ৩৫০ জনের মধ্যে ৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবারকে দুই বান্ডিল ঢেউটিন ও শুকনো খাবার এবং ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি পরিবারকে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন প্রদান করা হয়।
আমার বাঙলা/আরএ
