উদাহরণ: মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর এআই দিয়ে তৈরি সেনা কর্মকর্তার একটি ভিডিও ছড়ায়। ভিডিওটি যে প্রোফাইল থেকে আপলোড করা হয়েছে, সেখানে এ রকম এআই তৈরি করা ভিডিও ধারাবাহিকভাবে আপলোড করতে দেখা যায়।
সুতরাং, অনেক ক্ষেত্রেই এআই ছবি বা ভিডিও ধরতে সব সময় জটিল সফটওয়্যার দরকার হয় না। আবেগ উসকে দিচ্ছে কি না, খুঁটিনাটি স্বাভাবিক কি না, উৎস বিশ্বাসযোগ্য কি না এবং ‘এটা সত্য হলে অন্য কোথাও থাকার কথা’—এসব সাধারণ যুক্তি ব্যবহার করলেই অনেক ভুয়া কনটেন্ট চিহ্নিত করা সম্ভব, যা আপনি নিজেই করতে পারেন। এখানে প্রয়োজন একটু সচেতনতা—দেখলেই বিশ্বাস নয়; বরং দেখে, ভেবে, যাচাই করে বিশ্বাস, এই অভ্যাসটি যদি গড়ে তুলতে পারেন।
