ভারতের বৈদেশিক নীতিবিষয়ক একটি থিঙ্কট্যাংক অনন্ত সেন্টারের সিইও ইন্দ্রাণী বাগচী এই বিল এবং আমেরিকার কৌশল সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দীর্ঘ পোস্ট লিখেছেন। খবর বিবিসির।
ওই পোস্টে ইন্দ্রাণী উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্পের এই বিল সামনে নিয়ে আসার পেছনে ইউক্রেন নিয়ে তাদের হিসাব-নিকাশ কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ রাশিয়ার কাছে তাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করেন, ভারতের পণ্যে ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগের একধরনের কৌশল। ইন্দ্রাণী বলেন, মূলত মস্কোকে কিছু ছাড় দিতে বাধ্য করতে তার মিত্রদের ওপর এই চাপ।
ইন্দ্রাণী আরও বলেন, শুল্ক বিল পাস হলেও এতে প্রেসিডেন্টের ছাড় দেওয়ার সুযোগ আছে। ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিছু বিশেষ ছাড় পেতে পারে। তারা হয়তো নির্বিঘ্নে রুশ জ্বালানি কিনতে পারবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ইউরেনিয়াম কেনে। এটাও স্পষ্ট নয়, বর্তমান আইন অনুযায়ী আমেরিকা ২০২৮ সাল পর্যন্ত নিজেকে ছাড় দিয়ে যাবে কি না।
বিশ্বব্যাপী তেলের বাজার স্থিতিশীল থাকায় এই ৫০০ শতাংশ শুল্ক বা তেল কেনাবেচা বন্ধ হলেও ভারত বা রাশিয়ার তেমন ক্ষতি হবে না বলে মনে করেন ইন্দ্রাণী।
যা-ই হোক না কেন, গত এক বছরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু তা–ই নয়, আগামী কিছুদিন এই সম্পর্ক আইসিইউতে থাকবে বলে মনে করছেন ইন্দ্রাণী।
