গতকাল রোববার কনট প্লেস ও মিন্টো রোডের সংযোগস্থল থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামলীলা ময়দানে যাওয়ার পথে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বর্ণিল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রঙিন পতাকার পাশাপাশি মিছিলে অংশ নেওয়া নারী-পুরুষ তাদের নিজ নিজ রাজ্যের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরেন।
ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাটের আদিবাসীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে ঢাকঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে গান গাইতে গাইতে মিছিলে অংশ নেন।
ছত্তিশগড়ের নেতা রামনারায়ণ সিং রাঠিয়া জানান, এসব আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ আগেই দিল্লিতে পৌঁছেছিলেন। সমাবেশে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি তাঁরা দিল্লির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানও ঘুরে দেখেছেন। তাঁদের অধিকাংশের জন্যই এটি ছিল দিল্লিতে প্রথম আসা।
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এই সমাবেশ সফল করতে কংগ্রেস যে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েছে, তা মিছিলের আয়োজন ও অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতেই স্পষ্ট হয়েছে।
এ লক্ষ্যে প্রতিটি রাজ্যের দলীয় নেতৃত্বকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলের বিভিন্ন শাখাকেও সক্রিয় করে তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব।
দীর্ঘদিন পর এই সমাবেশে কংগ্রেস সেবাদলের সক্রিয় উপস্থিতিও চোখে পড়ে। ‘ইন্ডিয়া’ জোট ভবিষ্যতে বিভিন্ন রাজ্যে এ ধরনের জনসমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যে যে দল সাংগঠনিকভাবে বেশি শক্তিশালী, সেই দলই সমাবেশ আয়োজনের প্রধান দায়িত্ব পালন করবে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই দিল্লির রামলীলা ময়দানের সমাবেশ আয়োজনের দায়িত্ব ছিল কংগ্রেসের ওপর।
সান নিউজ / সুরাইয়া
