মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আছকান মিয়াকে কেন্দ্র করে এক নজিরবিহীন বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থান ও যুক্তিতর্কে পুরো এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
একটি পক্ষের দাবি ও অভিযোগ, সাবেক মেম্বার আছকান মিয়া এক মহিলাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন। এই পক্ষের অনুসারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটির সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন।
অন্যদিকে, অপর পক্ষ সাবেক মেম্বার আছকান মিয়ার অনুসারী বা স্থানীয় লোক অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক কিংবা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে সাবেক মেম্বারের সম্মান ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে ও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের কথা রটানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোনো ঘটনার সত্যতা নেই বলেও তারা দাবি করছেন। তারা আরও দাবী করেছেন যে সেখানে নাকি মা,দক নারী ব্যাবসাসহ অন্যান্য কাহিনী ঘটেছে মেম্বার আছকান মিয়া বাধা দেওয়ার কারনে ফা,সানো হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় চা-স্টল থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ এবং অনলাইনের মাঝে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। সামাজিক ও সামাজিকভাবে দুই পক্ষের জোরালো যুক্তি-তর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের ধোঁয়াশা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও সচেতন মহল মনে করছেন, বিষয়টির সঠিক সুরাহা না হলে স্থানীয় শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। তাই অযথা গুজব বা বাকবিতণ্ডায় না জড়িয়ে ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচনে উভয় পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। ‘আমরাও চাই সুষ্টু রহস্যা উদঘাটন মানহানী নাকি মহিলার অভিযোগ সত্য? বিষয়টি সমাধানে আসুক আমরা চাইনা এমন মিশ্র প্রতিক্রিয়া।’
সাননিউজ/বান্না
