বগুড়া সদরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্যাতনের শিকার ওই নারী বর্তমানে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ঘটনাটি জানাজানি হলে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তবে ধর্ষণের অভিযোগ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চিকিৎসা প্রতিবেদনের মাধ্যমে এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযুক্ত তিনজন হলেন- উপজেলার ফাঁপোড় পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত লাল চান ফকিরের ছেলে ও বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের পিয়ন মাহবুবুর রহমান, একই এলাকার আজিজুল সোনারের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং মৃত আকবর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম। স্থানীয়দের হাতে আটক আলমগীর ও শহিদুলকে পুলিশে দেয়া হলেও অপর অভিযুক্ত মাহবুবুর বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘদিন একটি মাদক মামলায় কারাগারে ছিলেন। তার অনুপস্থিতির সুযোগে অভিযুক্তরা একাধিকবার ওই নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ঘটনার একপর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হন।
সম্প্রতি ভুক্তভোগীর স্বামী জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে স্ত্রীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। পরে বিষয়টি জানতে চাইলে ওই নারী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের কথা জানান বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুইজনকে হেফাজতে নেয়। তিনি জানান, পলাতক অভিযুক্ত মাহবুবুরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
আমার বাঙলা/ তালহা
