পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষ। ফলে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেলেও স্বস্তির সঙ্গে পারাপার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় কোথাও দীর্ঘ যানজট বা ভোগান্তির চিত্র দেখা যায়নি।
সোমবার ০১-০৬-২০২৬ইং তারিখ সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মমুখী মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ঘাট থেকে পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া প্রায় প্রতিটি ফেরিতেই ছিল যাত্রী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের উল্লেখযোগ্য চাপ। বিশেষ করে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও বাসের চাপ ছিলো বেশি।
ঘাট এলাকায় দায়িত্ব পালনরত সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ-পরবর্তী কর্মস্থলমুখী মানুষের চাপ সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় যানবাহনগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। ঘাটে প্রবেশের পরপরই অধিকাংশ যানবাহন ফেরিতে উঠতে পারছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ জানায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বিবেচনায় রেখে ফেরিগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাচল করছে, যাতে পারাপারে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নদীতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফেরি চলাচলেও কোনো সমস্যা হচ্ছে না। ফলে ঘাট এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
ঈদ-পরবর্তী এই কর্মস্থলমুখী চাপ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে যাত্রী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
আমার বাঙলা/আরএ
