ঈদুল আজহার ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে গণপরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপির) ট্রাফিক বিভাগ। রোববার (২৪ মে) জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গণপরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের করণীয়
১. নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী টার্মিনাল থেকে বাস ছাড়তে হবে। ২. যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। ৩. যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা যাবে না। ৪. একই সিট একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রি করা যাবে না। ৫. বাসের ছাদে যাত্রী বহন করা যাবে না। ৬. পণ্য ও পশুর ফিরতি যানবাহনে যাত্রী বহন করা যাবে না। ৭. গতিসীমা মেনে গাড়ি চালাতে হবে, বেপরোয়া ও অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না। ৮. ওভারটেকিং নিষিদ্ধ এলাকা, রাস্তার বাঁক ও সরু সেতুতে ওভারটেকিং করা যাবে না। ৯. নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে, ঘুমঘুম ভাব হলে ও শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গাড়ি চালানো যাবে না। ১০. বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হালনাগাদ কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না। ১১. গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোন বা এয়ারফোন ব্যবহার করা যাবে না এবং গাড়িতে উচ্চস্বরে গান বাজানো যাবে না। ১২. উল্টো রাস্তায় গাড়ি চালানো যাবে না। ১৩. ড্রাইভিং লাইসেন্সের বৈধতা যাচাই করে গাড়ি চালক নিয়োগ করতে হবে। এবং ১৪. চালককে একটানা ৫ ঘণ্টা ও দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাতে বাধ্য করা যাবে না।
যাত্রীদের করণীয়
১. সড়কের যত্রতত্র দাঁড়িয়ে বাসে না উঠে নির্দিষ্ট টার্মিনাল বা কাউন্টারে গিয়ে বাসে উঠতে হবে। ২. অপরিচিত কারো দেওয়া কোনো খাবার বা পানীয় গ্রহণ করা যাবে না। ৩. মালামাল নিজ হেফাজতে বা দায়িত্বে রাখতে হবে। ৪. বাস যাত্রার নির্ধারিত সময়ের আগেই কাউন্টার বা টার্মিনালে হাজির হতে হবে। ৫. রাস্তা পারাপারে ফুটব্রিজ বা আন্ডারপাস বা জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করতে হবে। এবং ৬. চলন্ত গাড়িতে উঠানামা করা এবং পণ্যবাহী বা পশুবাহী মোটরযানে যাত্রী হয়ে যাতায়াত করা যাবে না।
পথচারীদের করণীয়
১. জেব্রা ক্রসিং, ফুটব্রিজ ও আন্ডারপাস দিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হবে। ২. দৌড়ে বা মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পারাপার হওয়া যাবে না। এবং ৩. ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে হবে।
জরুরি প্রয়োজনে টার্মিনালের পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর- ৯৯৯ এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
সাননিউজ/আরএ
