গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যবহৃত মাস্কগুলো যখন রাস্তাঘাটে বা ময়লার ভাগাড়ে পড়ে থাকে, তখন ঘর্ষণ ও আবহাওয়াগত কারণে সেখান থেকে স্বচ্ছ পলিপ্রোপিলিন তন্তু নির্গত হয়। শুধু মাস্ক এই তন্তুর একমাত্র উৎস নয়। সিনথেটিক কাপড়, গাড়ির টায়ার ও প্লাস্টিক প্যাকেজিং থেকেও সূক্ষ্ম তন্তু বাতাসে মিশে যায়। গবেষকেরা ফিল্টারে পলিথিন টেরেফথালেট নামক একধরনের পলিয়েস্টার খুঁজে পেয়েছেন, যা সাধারণত পানীয়ের বোতল ও পোশাকে ব্যবহৃত হয়। ২০২০ সালের আগের নমুনায় বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের মিশ্রণ থাকলেও মহামারির পরে সাদা ও স্বচ্ছ তন্তুর প্রাধান্য দেখা গেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, কড়া সূর্যালোক ও ওজোন গ্যাসের উপস্থিতিতে প্লাস্টিক বর্জ্য দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ওজোন প্লাস্টিকের উপরিভাগে ফাটল তৈরি করে বলে সেখান থেকে অতিক্ষুদ্র তন্তু সহজেই বিচ্ছিন্ন হয়ে বাতাসে মিশে যেতে পারে। বাতাস, মানুষের পায়ের ঘর্ষণ কিংবা গাড়ির চাকা এই বর্জ্যকে পিষে আরও ছোট কণায় পরিণত করে। এসব কণা শুষ্ক আবহাওয়ায় ওপরে উঠে যায় এবং বাতাসের সঙ্গে বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আমরা প্রতিবার নিশ্বাস নেওয়ার সময় এই প্লাস্টিক তন্তুগুলো আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে।
