কাতারের রাজধানী দোহাতে বুধবার (১১ মার্চ) একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, জানিয়েছেন এএফপি প্রতিবেদকরা। ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা গালফ অঞ্চলে প্রবেশ করায় এ ঘটনা ঘটেছে।
“বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড এবং বিভিন্ন আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে র্যাব ইতোমধ্যে জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী দিপু তার বাহিনী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে হলে দিপুর বাহিনীকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হতো। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া এবং মারধরের ঘটনা ছিল নিয়মিত। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় করত।
এছাড়া স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ‘মাসোহারা’ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দিপু তার বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করত। ভুক্তভোগীদের ভয় দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়া অথবা পেশিশক্তি প্রয়োগ করে উচ্ছেদ করার ঘটনায় এলাকায় সে কুখ্যাত হয়ে ওঠে।
এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখতে দিপু প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করত। তার বাহিনীর ছত্রছায়ায় মদনপুর ও বন্দর এলাকায় মাদকের একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিলের কেনাবেচা চলত। এই শীর্ষ সন্ত্রাসীর অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় শীর্ষ সন্ত্রাসী দিপু ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
গত ১০ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১১টা ৩০ মিনিটে র্যাব-১১, সিপিএসসি-এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন পূর্ব চাঁনপুর গ্রামে আসামির বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে তাকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি ছুরি এবং বেশ কিছু লোহার পাইপসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি মো. দিপু (৩২)। তার পিতার নাম আবু কালাম (মুইচা কালাম) এবং মাতার নাম শাহনাজ বেগম। তার বাড়ি পূর্ব চাঁনপুর, ইউনিয়ন মদনপুর, থানা বন্দর, জেলা নারায়ণগঞ্জ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত দিপুর বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আপনি চাইলে আমি এটাকে আরও প্রফেশনাল পত্রিকার ফরম্যাটে (দৈনিক পত্রিকা স্টাইল) বা ফেসবুক/অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টাইলেও সাজিয়ে দিতে পারি।
আমারবাঙলা/এসএ
