বাংলাদেশে লাল টুপি কাস্তেচরা পাখিটি সহজে দেখা যায় না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পদ্মায় খলিফার চরে শর্ষে চাষের সময় পাখিটি দেখা যায়। প্রায় আট বছর ধরে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। কবে থেকে এ পাখি আসে, তা জানা যায়নি। সারা দেশ থেকে অনেক আলোকচিত্রী সেখানে গিয়ে এ পাখি দেখে এসেছেন।
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। বছর দশেক আগে বিরল এই আবাসিক পাখি নিয়মিত দেখা গেলেও এখন নিয়মিত দেখা যায় না। কয়েকজন পক্ষী আলোকচিত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানলাম, পাখিটির প্রথম ছবি তোলার রেকর্ড পঞ্চগড়ে। রেজাউল হাফিজ রাহী ২০১৫ সালে তীরনই নদে এ পাখির ছবি প্রথম তোলেন। যতটুকু জানা যায়, পঞ্চগড় ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এ পাখি দেখার রেকর্ড ছিল। এর বাইরে লালমনিরহাটে গত ডিসেম্বর মাসে দেখলাম। অন্যত্র দেখার তথ্য আমার জানা নেই।
লালটুপি কাস্তেচরা পাখিটি কালো দোচরা বা কাঁচিচোরা এবং কালোমাথা কাস্তেচরার মতোই অনেকটা দেখতে। আকৃতিতে লালটুপি কাস্তেচরা সামান্য বড় হবে। বিশেষ করে ঠোঁটের গঠন প্রায় এক। ধূসর রঙের লম্বা ঠোঁটটি নিচের দিকে বাঁকানো। গলা, পিঠ, পেটের দিকটা গাঢ় বাদামি ও পা গোলাপি। অপরাপর কাস্তেচরার চেয়ে এর ভিন্নতা প্রধানত মাথায়। এই কাস্তেচরার মাথায় লালটুপির মতো পালক আছে। এ কারণে পাখিটিকে লালটুপি কাস্তেচরা নামে ডাকা হয়। ইংরেজি নাম গ্লসি আইবিস।
